আসন নিয়ে জামায়াতেরও ‘দর-কষাকষি’, চাপে বিএনপি

0


Published : ২১.১১.২০১৮ ০৬:২৮ পূর্বাহ্ণ BdST

জোটগতভাবে মনোনয়নের প্রত্যাশায় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপিকে ৬০ সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকা দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। জামায়াতের একটি প্রতিনিধি দল গত ২৩ দলীয় জোটের লিয়াজোঁ কমিটির সমন্বয়কারী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও নজরুল ইসলাম খানের কাছে এ তালিকা জমা দিয়েছে। ৬০ আসনের মধ্যে কমপক্ষে ৪৫টি আসনে কোনো ছাড় না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি।


জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মাওলানা আব্দুল হালিম বাংলা কাগজকে বলেন, ১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াত ২২২ আসনে প্রার্থী দিয়েছিল। জয়ী হয়েছিল ১৮ প্রার্থী। আমাদের প্রার্থীদের জনপ্রিয়তা আগের তুলনায় বেড়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তিনি বলেন, প্রেক্ষাপট বদলেছে। ৩০০ আসনেই নির্বাচন করার মতো যোগ্য প্রার্থী আমাদের রয়েছে। তবে জাতীয় স্বার্থে এবার আমরা আওয়ামী লীগ সরকারকে হটাতে জোটগতভাবে ঐক্যবদ্ধ থেকে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। জোটগতভাবে নির্বাচন করার কারণে আমরা ছাড়ও দিচ্ছি অধিকাংশ আসনেই। ৬০ আসনে জেতার সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা বিএনপিকে দেয়া হয়েছে। এবার এ নিয়ে আলোচনা হবে।

তিনি আরও বলেন, এই ৬০ আসনে জামায়াতের প্রার্থীদের জনপ্রিয়তা, কেন জিততে পারে, কী কী কারণে তারা জনপ্রিয় এবং জামায়াত প্রার্থীদের বিরোধী প্রার্থীদের অবস্থান সম্পর্কেও বিএনপিকে ধারণা দেয়া হয়েছে। আশা করছি, আমরা আমাদের অবস্থান পরিষ্কার করতে পেরেছি। জোটগত সিদ্ধান্ত জানার অপেক্ষায় আছি আমরা।

এ বিষয়ে ২০ দলীয় জোটের লিয়াজোঁ কমিটির সমন্বয়কারী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে বাংলা কাগজকে তিনি বলেন, ‘আমি দলের মনোনয়নপ্রত্যাশী প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার বোর্ডে আছি। এ বিষয়ে পরে কথা বলবো।’ তবে বিএনপি ও ২৩ দলীয় জোট সূত্রে জানা গেছে, এবার বিএনপিকে ২৩ দলীয় জোটের পাশাপাশি জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গেও আসন ভাগাভাগি করতে হবে। যে কারণে এবার জামায়াতসহ পুরান শরিক দলগুলোকে আসন ছাড় দেয়া নিয়ে আলোচনা চলছে।

বিএনপির পক্ষ থেকে জামায়াতকে ২৫টি আসন দেবার আলোচনা চলছে। তবে দর-কষাকষিতে জামায়াতের টার্গেট কমপক্ষে ৪৫টি আসন। এ বিষয়ে কোন ছাড় দেবেনা, জানিয়েছে জামায়াত।

আপনার মন্তব্য :

Please enter your comment!
Please enter your name here