কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা কার্যক্রমের মাধ্যমে বঞ্চিত ও পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে: ড. আতিউর রহমান

0


Published : ২৪.১১.২০১৮ ১২:৪৭ অপরাহ্ণ BdST

“কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য হতে হবে বঞ্চিত ও পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য সুযোগ সৃষ্টি। যে সমস্ত সিএসআর কার্যক্রম দারিদ্র্য দূরীকরণে ভূমিকা রাখে এবং এসডিজি অর্জনে সরকারি উদ্যোগের সম্পূরক ভূমিকা রাখতে পারে সেগুলোকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।”- বলেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর এবং উন্নয়ন সমন্বয়ের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আতিউর রহমান। ঢাকায় কর্পোরেট রেসপন্সিবিলিটি নেটওয়ার্ক (সিআরএন)-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।


দেশের কর্পোরেট খাতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, গবেষক, সরকার এবং বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে বাংলাদেশে সিএসআর কার্যক্রম সম্পর্কে জানতে ও শিখতে পারে তার জন্য একটি মঞ্চ হিসেবে কাজ করতে চায় সিআরএন। সিআরএন-এর প্রেসিডেন্ট ও ইপিলিওন গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব রিয়াজ উদ্দিন আল-মামুন অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, এবং সিআরএন-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট ও নেসলে বাংলাদেশ লিমিটেড-এর কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স ডাইরেক্টর জনাব নকিব খান বাংলাদেশে সিএসআর কার্যক্রম বিষয়ে একটি প্রেজেন্টেশন করেন। দেশের বিভিন্ন কর্পোরেট হাউসের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

ড. আতিউর বলেন যে, এসডিজি অর্জনে আন্তর্জাতিক ও জাতীয় পর্যায়ে বাংলাদেশের যে প্রতিশ্রুতি রয়েছে তা বস্তবায়নে বেসরকারি খাতের ব্যাপকভিত্তিক ভূমিকার রাখতে হবে। আর ভোক্তাদের চাহিদা পূরণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি বেসরকারি খাতকে সুপরিকল্পিত সিএসআর কার্যক্রমের মাধ্যমে সমাজের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে হবে। তিনি বলেন যে, তিনি গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন কালে বাংলাদেশ ব্যাংক সুচিন্তিত ও পরিকল্পিত নির্দেশনার মাধ্যমে এসডিজি লক্ষ্যগুলো ও আর্থিক সেবা দানকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সিএসআর কার্যক্রমের মধ্যে সমন্বয় করতে চেষ্টা করেছে। এমন কি স্বয়ং বাংলাদেশ ব্যাংকও ব্যাপক ঝুঁকিতে থাকা মানুষকে সহায়তা করার জন্য একটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মসূচি পরিচালনা করেছে। এসব উদ্যোগ ব্যাপক সুফল বয়ে এনেছে। এছাড়াও বাংলাদেশে বিভিন্ন সিএসআর কার্যক্রমের মধ্যে সমন্বয় নিশ্চিত করতে একটি জাতীয় সিএসআর নীতিমালা প্রণয়নের ওপর তিনি জোর দেন। তাঁর মতে সামাজিক উন্নয়নের জন্য বিশেষত জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার জন্য বেসরকারি খাতের সহায়তা নিশ্চিত করতে আগামীতে একটি সুচিন্তিত আইন প্রণয়ন করতে হবে।

আপনার মন্তব্য :

Please enter your comment!
Please enter your name here