কলকাতার নতুন সিনেমা এবং প্লেব্যাকে জয়া আহসান

0


Published : ২৭.০১.২০১৯ ১১:৪১ পূর্বাহ্ণ BdST

২০১৬ সালে শ্রেষ্ঠ বাংলা চলচ্চিত্র হিসেবে ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছিল ‘বিসর্জন’; যে ছবিতে প্রধান নারী চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন জয়া আহসান। ২০১৭ সালে একই বিভাগে ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছিল ‘ময়ূরাক্ষী’; যে ছবিটি পরিচালনা করেছিলেন অতনু ঘোষ। এবার অতনু ঘোষের পরিচালনা এবং তারই লেখা নতুন ছবি ‘বিনি সুতোয়’ তে অভিনয় করতে যাচ্ছেন জয়া আহসান; যার বিপরীতে প্রথমবারের মত অভিনয় করবেন শব্দ, নির্বাক, ফড়িং, ওপেনটি বায়স্কোপ, সাহেব বিবি গোলাম, মাছের ঝোল খ্যাত মেধাবী অভিনেতা ঋত্বিক চক্রবর্তী।


জয়ার নতুন ছবি ‘বিনি সুতোয়’ তে চিত্রগ্রাহক হিসেবে থাকছেন গত বছর মালয়ালাম চলচ্চিত্র ‘আই টেস্ট’-এর জন্য ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার বিজয়ী আপ্পু প্রভাকর। আর এ ছবির মাধ্যমে প্রায় ১০ মাস পর নতুন কোনো ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হলেন জয়া। পরিচালক অতনু ঘোষের পূর্বের কাজ, নতুন ছবির গল্প ও চরিত্রের প্রতি ভীষণ আকর্ষণ থেকেই এ ছবিতে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। ছবিতে জয়া অভিনী করবেন শ্রাবণী বড়–য়া চরিত্রে, আর তার বিপরীতে ঋত্বিককে দেখা যাবে কাজল সরকারের ভূমিকায়। এক রিয়েলিটি শোতে কাকতালীয়ভাবে দেখা হয় দুজনের।

অডিশন শেষ হবার পর একটা জায়গা পেরিয়ে বাসে উঠতে গিয়ে শ্রাবণী (জয়া) পড়ে যায়। তার এই অবস্থা দেখে ছুটে আসেন কাজল (ঋত্বিক)। এইভাবে দুজনের মধ্যে একটি যোগসূত্র তৈরি হয়। বাইরে থেকে তারা একে অপরকে যেভাবে দেখছে, আতশ কাঁচের নিচে কি সেটা রাতারাতি পাল্টে যাবে? সে উত্তরই পুরো ছবি জুড়ে দর্শক খুঁজে নেবেন।

সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় ও প্রসেনজিতকে নিয়ে কাজ করার পর জয়া আহসান ও ঋত্বিককে কেন নতুন ছবিতে চুক্তিবদ্ধ করলেন, এ প্রশ্নের জবাবে পরিচালক অতনু বলেন, ভারতে এই মুহূর্তের সবচেয়ে সংবেদনশীল, প্রতিভাবান দুই অভিনেতা-অভিনেত্রী হলেন জয়া ও ঋত্বিক। দুজনকে এক ফ্রেমে দেখার ইচ্ছে আমার দীর্ঘদিনের। এবার সে ইচ্ছে পূরণ হতে যাচ্ছে। আসছে ১ ফেব্রিয়ারি থেকে কলকাতা এবং টাকীতে এ ছবির শূটিং শুরু হচ্ছে।

তবে জয়া আহসানের ভক্তদের জন্য সবচেয়ে বড় চমক হলো, দেবজ্যোতি মিশ্রর সংগীত পরিচালনায় এ ছবির সব ক’টি গান জয়া নিজেই প্লেব্যক করবেন। সবকিছু ঠিক থাকলে এ বছরই মুক্তি পাবে ‘বিনি সুতোয়’।

আপনার মন্তব্য :

Please enter your comment!
Please enter your name here