চূড়ান্ত মনোনয়নে মহাজোটের নবীন-প্রবীণের সম্মিলন

0


Published : ০৯.১২.২০১৮ ০৮:০২ পূর্বাহ্ণ BdST

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনে দল ও মহাজোটের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করেছে আওয়ামী লীগ। নিজেদের জন্য ২৪৮ আসন রেখে বাকি ৫২ আসন শরিকদের মধ্যে ভাগ করে দিয়েছে। এর মধ্যে ১৪ দলীয় জোটের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টিকে ৫টি আসন দেওয়া হয়েছে। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ (ইনু)-কে দেওয়া হয়েছে ৩টি ও জাসদ (আম্বিয়া)-কে ১টি আসন দিয়েছে আওয়ামী লীগ। এ ছাড়া জাতীয় পার্টির (জেপি মঞ্জু) ২টি, তরিকত ফেডারেশন ২টি এবং মহাজোটের শরিক যুক্তফ্রন্টকে দেওয়া হয়েছে ৩টি আসন। মহাজোটের অন্যতম শরিক জাতীয় পার্টিকে ৩৬টি আসন ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আসন সংখ্যা বাড়ানোর জন্য জাতীয় পার্টি এখনো দেনদরবার ও দরকষাকষি করছে।


তবে দুই চারটি আসনে এদিক সেদিক হতে পারে এবং সেটা আজ রোববার (প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন) মধ্যেই করা হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
মহাজোটের প্রার্থী তালিকা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, নবীন-প্রবীণের সম্মিলন ঘটানো হয়েছে এবারের প্রার্থী তালিকায়। অনেক প্রভাবশালী, এমপি-মন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় নেতা বাদ পড়েছেন। এর মধ্যে যুব ও ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান জয়, আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবীর নানক ও আবদুর রহমান, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাছিম, বিএম মোজাম্মেল হক প্রমুখ। যারা বাদ পড়েছেন তাদের বিরুদ্ধে দলীয় কোন্দল, দুর্নীতিসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া বয়স ও শারীরিক অসুস্থতার কারণে কয়েকজন বাদ পড়েছেন বলে জানা গেছে। তবে বির্তকিত অনেকে এবারও টিকে গেছেন।
এর আগে ২৩১টি আসনে ২৪৮ জনকে নৌকার চিঠি দিয়েছিল ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। অর্থাৎ ১৭টি আসনে ২ জন করে প্রার্থী দেওয়া হয়েছিল। গত শুক্রবার ওই আসনগুলোতে একজন করে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়। এর মধ্যে বাদ পড়ার তালিকায় দুর্যোগ ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া রয়েছেন। ১৪ দলের শরিক ও যুক্তফ্রন্টসহ নিজ দলের প্রার্থীদের নামে দলীয় প্রতীক বরাদ্দের জন্য নির্বাচন কমিশন বরাবর চিঠি দিয়েছে আওয়ামী লীগ। এর বাইরে কুড়িগ্রাম-১ ও ৩ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থীর পাশাপাশি নৌকার প্রার্থী আছে। কুড়িগ্রাম-৪ আসনে নতুন করে (শুক্রবার) জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থীকে নৌকার চিঠি দিয়েছে আওয়ামী লীগ। এ রকম আরও বেশকিছু আসনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে মহাজোটের শরিকদের আসন ভাগাভাগি নিয়ে জটিলতার নিরসন হয়নি। তবে রোববারের মধ্যে এই ঝামেলা নিরসন হতে পারে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।
ওয়ার্কার্স পার্টি : রাশেদ খান মেনন (ঢাকা-৮), ইয়াসিন আলী-(ঠাকুরগাঁও-৩), ফজলে হোসেন বাদশা (রাজশাহী-২), মোস্তফা লুৎফুল্লাহ (সাতক্ষীরা-১), টিপু সুলতান (বরিশাল-৩)।
জাসদ (ইনু) : হাসানুল হক ইনু (কুষ্টিয়া-২), শিরিন আখতার (ফেনী-১) ও রেজাউল করিম তানসেন (বগুড়া-৪)।
জাসদ (আম্বিয়া) : মঈনুদ্দিন খান বাদল (চট্টগ্রাম-৮)।
যুক্তফ্রন্ট : মেজর (অব.)এমএ মান্নান (লক্ষ্মীপুর-৪), মাহি বি চৌধুরী (মুন্সিগঞ্জ-১) ও এফএম শাহীন (মৌলভীবাজার-২)।
জাতীয় পার্টি (জেপি-মঞ্জু) : আনোয়ার হোসেন মঞ্জু (পিরোজপুর-২) ও রুহুল আমিন (কুড়িগ্রাম-৪)।
তরিকত ফেডারেশন : সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারী (চট্টগ্রাম-২) ও আনোয়ার খান (লক্ষ্মীপুর-১)।
জাতীয় পার্টি : মো. শওকত চৌধুরী (নীলফামারী-৪), জি এম কাদের (লালমনিরহাট-৩), মশিউর রহমান রাঙ্গা (রংপুর-১), হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ (রংপুর-৩), ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী (গাইবান্ধা-১), এ কে এম মোস্তাফিজুর রহমান (কুড়িগ্রাম-১),পনিরউদ্দিন আহমেদ (কুড়িগ্রাম-২), ড. আক্কাস আলী (কুড়িগ্রাম-৩), শরিফুল আলম জিন্নাহ (বগুড়া-২), নুরুল ইসলাম তালুকদার (বগুড়া-৩), মো. নুরুল ইসলাম ওমর (বগুড়া-৬), মুহাম্মদ আলতাফ আলী (বগুড়া-৭), বেগম নাসরিন জাহান রত্না (বরিশাল-৬), বেগম রওশন এরশাদ (ময়মনসিংহ-৪), সালাহউদ্দিন আহমেদ মুক্তি (ময়মনসিংহ-৫), ফখরুল ইমাম ( ময়মনসিংহ-৮), মো. মুজিবুল হক চুন্নু (কিশোরগঞ্জ-৩), সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা (ঢাকা-৪), কাজী ফিরোজ রশীদ (ঢাকা-৬), লিয়াকত হোসেন খোকা (নারায়ণগঞ্জ-৩), এ কে এম সেলিম ওসমান (নারায়ণগঞ্জ-৫), পীর ফজলুর রহমান (সুনামগঞ্জ-৪), ইয়াহিয়া চৌধুরী (সিলেট-২), সেলিম উদ্দিন (সিলেট-৫), মোহাম্মদ আবদুল মুনিম চৌধুরী (হবিগঞ্জ-১), অ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২), মোহাম্মদ আমির হোসেন (কুমিল্লা-২), নুরুল ইসলাম মিলন ( কুমিল্লা-৮), আনিসুল ইসলাম মাহমুদ (চট্টগ্রাম-৫)।
আওয়ামী লীগ : মাজহারুল ইসলাম প্রধান (পঞ্চগড়-১), অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম সুজন (পঞ্চগড়-২), রমেশচন্দ্র সেন (ঠাকুরগাঁও-১), দবিরুল ইসলাম (ঠাকুরগাঁও-২), মনোরঞ্জন শীল গোপাল (দিনাজপুর-১), খালিদ মাহমুদ চৌধুরী (দিনাজপুর-২), ইকবালুর রহিম (দিনাজপুর-৩), আবুল হাসান মাহমুদ আলী (দিনাজপুর-৪), অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার (দিনাজপুর-৫), শিবলী সাদিক (দিনাজপুর-৬), মো. আফতাব উদ্দিন সরকার (নীলফামারী-১), আসাদুজ্জামান নূর (নীলফামারী-২), মোতাহার হোসেন (লালমনিরহাট-১), নুরুজ্জামান আহমেদ (লালমনিরহাট-২), আবুল কালাম মো. আহসানুল হক (রংপুর-২), টিপু মুনশি (রংপুর-৪), এইচএন আশিকুর রহমান (রংপুর-৫), ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী (রংপুর-৬), মাহাবুব আরা বেগম গিনি (গাইবান্ধা-২), ডা. ইউনুস আলী সরকার (গাইবান্ধা-৩), সামসুল আলম দুদু (জয়পুরহাট-১), আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন (জয়পুরহাট-২), আবদুল মান্নান (বগুড়া-১), হাবিবুর রহমান (বগুড়া-৪)। সাধনচন্দ্র মজুমদার (নওগাঁ-১), শহীদুজ্জামান সরকার (নওগাঁ-২), ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক (নওগাঁ-৪) নিজাম উদ্দিন জলিল (নওগাঁ-৫), ইসরাফিল আলম (নওগাঁ-৬), ওমর ফারুক চৌধুরী (রাজশাহী-১), প্রকৌশলী এনামুল হক (রাজশাহী-৪), শাহরিয়ার আলম (রাজশাহী-৬), সহিদুল ইসলাম বকুল (নাটোর-১), জুনাইদ আহমেদ পলক (নাটোর-৩), মো. আবদুল কুদ্দুস (নাটোর-৪), মোহাম্মদ নাসিম (সিরাজগঞ্জ-১), ডা. হাবিবে মিল্লাত (সিরাজগঞ্জ-২), ডা. আবদুল আজিজ (সিরাজগঞ্জ-৩), তানভির ইমাম (সিরাজগঞ্জ-৪), আবদুল মমিন ম-ল (সিরাজগঞ্জ-৫), হাসিবুর রহমান স্বপন (সিরাজগঞ্জ-৬), শামসুল হক টুকু (পাবনা-১), আহমেদ ফিরোজ কবির (পাবনা-২), মকবুল হোসেন (পাবনা-৩), শামসুর রহমান শরীফ ডিলু (পাবনা-৪), গোলাম ফারুক প্রিন্স (পাবনা-৫), ফরহাদ হোসেন দোদুল (মেহেরপুর-১), আ ক ম সারোয়ার জাহান (কুষ্টিয়া-১), মাহবুবউল আলম হানিফ (কুষ্টিয়া-৩), সেলিম আফতাব জর্জ (কুষ্টিয়া-৪)। সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন (চুয়াডাঙ্গা-১), আলী আজগার টগর (চুয়াডাঙ্গা-২), আবদুল হাই (ঝিনাইদহ-১), তাহজীব আলম সিদ্দিকী (ঝিনাইদহ-২), মো. শফিকুল আজম খান (ঝিনাইদহ-৩), আনোয়ারুল আজিম আনার (ঝিনাইদহ-৪), শেখ আফিল উদ্দিন (যশোর-১), মে. জেনারেল (অব.) নাসির উদ্দিন (যশোর-২), কাজী নাবিল আহমেদ (যশোর-৩), রণজিৎ কুমার রায় (যশোর-৪), স্বপন ভট্টাচার্য (যশোর-৫), ইসমাত আরা সাদেক (যশোর-৬), সাইফুজ্জামান শিখর (মাগুরা-১), বীরেন শিকদার (মাগুরা-২),বিএম কবিরুল হক মুক্তি (নড়াইল-১), মাশরাফি বিন মুর্তজা (নড়াইল-২), শেখ হেলাল উদ্দিন (বাগেরহাট-১), শেখ তন্ময় (বাগেরহাট-২), হাবিবুন্নাহার (বাগেরহাট-৩), মোজাম্মেল হোসেন (বাগেরহাট-৪), পঞ্চানন বিশ্বাস (খুলনা-১), শেখ সালাউদ্দিন জুয়েল (খুলনা-২), মুন্নুজান সুফিয়ান (খুলনা-৩), আবদুস সালাম মুর্শেদী (খুলনা-৪), নারায়ণ চন্দ্র চন্দ (খুলনা-৫), আকতারুজ্জামান বাবু (খুলনা-৬), মীর মোস্তাক আহমেদ রবি (সাতক্ষীরা-২), ডা. আ ফ ম রুহুল হক (সাতক্ষীরা-৩), এসএম জগলুল হায়দার (সাতক্ষীরা-৪)।
অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র চন্দ্র দেবনাথ শম্ভু (বরগুনা-১), শওকত হাচানুর রহমান রিমন (বরগুনা-২), মো. শাহজাহান মিয়া (পটুয়াখালী-১), আ স ম ফিরোজ (পটুয়াখালী-২), এসএম শাহজাদা (পটুয়াখালী-৩), মহিব্বুর রহমান মহিব (পটুয়াখালী-৪), তোফায়েল আহমেদ (ভোলা-১), আলী আজম (ভোলা-২), নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন (ভোলা-৩), আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব (ভোলা-৪), আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ (বরিশাল-১), শাহে আলম (বরিশাল-২), পংকজ দেবনাথ (বরিশাল-৪), কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম (বরিশাল-৫), বজলুল হক হারুন (ঝালকাঠি-১), আমির হোসেন আমু (ঝালকাঠি-২), শ ম রেজাউল করিম (পিরোজপুর-১)। ড. আবদুর রাজ্জাক (টাঙ্গাইল-১), তানভীর হাসান ওরফে ছোট মনির (টাঙ্গাইল-২), আতাউর রহমান খান (টাঙ্গাইল-৩), হাসান ইমাম খান (টাঙ্গাইল-৪), ছানোয়ার হোসেন (টাঙ্গাইল-৫), আহসানুল ইসলাম (টাঙ্গাইল-৬), একাব্বর হোসেন (টাঙ্গাইল-৭), আ ক ম মোজাম্মেল হক (গাজীপুর-১), জাহিদ আহসান রাসেল (গাজীপুর-২), ইকবাল হোসেন সবুজ (গাজীপুর-৩), সিমিন হোসেন রিমি (গাজীপুর-৪), মেহের আফরোজ চুমকি (গাজীপুর-৫), সালমান এফ রহমান (ঢাকা-১), কামরুল ইসলাম (ঢাকা-২), নসরুল হামিদ বিপু (ঢাকা-৩), হাবিবুর রহমান মোল্লা (ঢাকা-৫), হাজী সেলিম (ঢাকা-৭), সাবের হোসেন চৌধুরী (ঢাকা-৯), ফজলে নূর তাপস (ঢাকা-১০), একেএম রহমতুল্লাহ (ঢাকা-১১),  আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল (ঢাকা-১২), সাদেক খান (ঢাকা-১৩), আসলামুল হক আসলাম (ঢাকা-১৪), কামাল আহমেদ মজুমদার (ঢাকা-১৫), ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লা (ঢাকা-১৬), চিত্রনায়ক ফারুক খান পাঠান (ঢাকা-১৭), সাহারা খাতুন (ঢাকা-১৮), ডা. এনামুর রহমান (ঢাকা-১৯), বেনজীর আহমেদ (ঢাকা-২০), এএম নাঈমুর রহমান দুর্জয় (মানিকগঞ্জ-১), মমতাজ বেগম (মানিকগঞ্জ-২), জাহিদ মালেক স্বপন (মানিকগঞ্জ-৩), সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি (মুন্সীগঞ্জ-২), অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস (মুন্সীগঞ্জ-৩), লে. কর্নেল (অব.) নজরুল ইসলাম হিরু বীরপ্রতীক (নরসিংদী-১), কামরুল আশরাফ খান (নরসিংদী-২), জহিরুল হক ভূঁইয়া (নরসিংদী-৩), অ্যাডভোকেট নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন (নরসিংদী-৪), রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু (নরসিংদী-৫), গোলাম দস্তগীর গাজী (নারায়ণগঞ্জ-১), নজরুল ইসলাম বাবু (নারায়ণগঞ্জ-২), একেএম শামীম ওসমান (নারায়ণগঞ্জ-৪), কাজী কেরামত আলী (রাজবাড়ী-১), মো. জিল্লুল হাকিম (রাজবাড়ী-২), মঞ্জুর হোসেন (ফরিদপুর-১), সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী (ফরিদপুর-২), ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন (ফরিদপুর-৩), কাজী জাফরউল্লাহ (ফরিদপুর-৪), লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান (গোপালগঞ্জ-১) ও শেখ ফজলুল করিম সেলিম (গোপালগঞ্জ-২), আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (গোপালগঞ্জ-৩), নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন (মাদারীপুর-১), শাজাহান খান (মাদারীপুর-২), আবদুস সোবহান গোলাপ (মাদারীপুর-৩), ইকবাল হোসেন অপু (শরীয়তপুর-১), এ কে এম এনামুল হক শামীম (শরীয়তপুর-২), নাহিম রাজ্জাক (শরীয়তপুর-৩)।
আবুল কালাম আজাদ (জামালপুর-১), মো. ফরিদুল হক খান (জামালপুর-২), মির্জা আজম (জামালপুর-৩), ডা. মোহাম্মদ মুরাদ হাসান (জামালপুর-৪), ইঞ্জিনিয়ার মোজাফফর হোসেন (জামালপুর-৫)। আতিউর রহমান আতিক (শেরপুর-১), মতিয়া চৌধুরী (শেরপুর-২), একেএম ফজলুল হক চান (শেরপুর-৩)। জুয়েল আরেং (ময়মনসিংহ-১), শরীফ আহমেদ (ময়মনসিংহ-২), অ্যাডভোকেট মোসলেম উদ্দিন (ময়মনসিংহ-৬), মাওলানা রুহুল আমিন মাদানী (ময়মনসিংহ-৭), আনোয়ারুল আবেদীন খান তুহিন (ময়মনসিংহ-৯), ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল (ময়মনসিংহ-১০), মানু মজুমদার (নেত্রকোনা-১), আশরাফ আলী খান খসরু (নেত্রকোনা-২), অসীম কুমার উকিল (নেত্রকোনা-৩), রেবেকা মোমিন (নেত্রকোনা-৪), ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল (নেত্রকোনা-৫)। সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম (কিশোরগঞ্জ-১), নূর মোহাম্মদ (কিশোরগঞ্জ-২), রেজওয়ান আহমেদ তৌফিক (কিশোরগঞ্জ-৪), আফজাল হোসেন (কিশোরগঞ্জ-৫), নাজমুল হাসান পাপন (কিশোরগঞ্জ-৬)। ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন (সুনামগঞ্জ-১), জয়া সেনগুপ্তা (সুনামগঞ্জ-২), এমএ মান্নান (সুনামগঞ্জ-৩), মুহিবুর রহমান মানিক (সুনামগঞ্জ-৫), একে আবদুল মোমেন (সিলেট-১), মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী (সিলেট-৩), ইমরান আহমেদ (সিলেট-৪), নুরুল ইসলাম নাহিদ (সিলেট-৬), মোহাম্মদ শাহাব উদ্দিন (মৌলভীবাজার-১), নেছার আহমেদ (মৌলভীবাজার-৩), মো. আবদুস শহীদ (মৌলভীবাজার-৪), মো. আবদুল মজিদ খান (হবিগঞ্জ-২), মো. আবু জাহির (হবিগঞ্জ-৩), মো. মাহবুব আলী (হবিগঞ্জ-৪)।
বদরুদ্দোজা ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১), র আ ম ওবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩), অ্যাডভোকেট আনিসুল হক (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪), মো. এবাদুল করিম বুলবুল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫), ক্যাপ্টেন (অব.) এবি তাজুল ইসলাম (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬), মোহাম্মদ সুবিদ আলী ভূঁইয়া (কুমিল্লা-১), সেলিমা আহমাদ মেরি (কুমিল্লা-২), ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন (কুমিল্লা-৩), রাজী মোহাম্মদ ফখরুল (কুমিল্লা-৪), অ্যাডভোকেট আবদুল মতিন খসরু (কুমিল্লা-৫), আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার (কুমিল্লা-৬), অধ্যাপক আলী আশরাফ (কুমিল্লা-৭), নুরুল ইসলাম মিলন (কুমিল্লা-৮), মো. তাজুল ইসলাম (কুমিল্লা-৯), আ হ ম মুস্তফা কামাল (কুমিল্লা-১০), মুজিবুল হক (কুমিল্লা-১১), মহীউদ্দীন খান আলমগীর (চাঁদপুর-১), নুরুল আমিন রুহুল (চাঁদপুর-২), ডা. দীপু মনি (চাঁদপুর-৩), মুহম্মদ শফিকুর রহমান (চাঁদপুর-৪), নিজামউদ্দিন হাজারী (ফেনী-২), এইচএম ইব্রাহিম (নোয়াখালী-১), মোর্শেদ আলম (নোয়াখালী-২), মো. মানুর রশিদ কিরণ (নোয়াখালী-৩), একরামুল করিম চৌধুরী (নোয়াখালী-৪)। ওবায়দুল কাদের (নোয়াখালী-৫), একেএম শাহাজাহান কামাল (লক্ষ্মীপুর-৩), ইঞ্জিয়ার মোশাররফ হোসেন (চট্টগ্রাম-১), দিদারুল আলম (চট্টগ্রাম-৪), এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী (চট্টগ্রাম-৬), ড. হাছান মাহমুদ (চট্টগ্রাম-৭), ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল (চট্টগ্রাম-৯), মো. আফসারুল আমিন (চট্টগ্রাম-১০), সামশুল হক চৌধুরী (চট্টগ্রাম-১২), সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ (চট্টগ্রাম-১৩), নজরুল ইসলাম চৌধুরী (চট্টগ্রাম-১৪), আবু রেজা নদভী (চট্টগ্রাম-১৫), মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী (চট্টগ্রাম-১৬), জাফর আলম (কক্সবাজার-১), আশেকুল্লাহ রফিক (কক্সবাজার-২), সাইমুম সারোয়ার কমল (কক্সবাজার-৩), শাহিনা আক্তার চৌধুরী (কক্সবাজার-৪), কুজেন্দ্রলাল ত্রিপুরা (খাগড়াছড়ি), বীর বাহাদুর উ শৈ সিং (বান্দরবান), রাঙামাটি দীপংকর তালুকদার।

আপনার মন্তব্য :

Please enter your comment!
Please enter your name here