মানবসম্পদে কাজ করা এক যুবরাজের গল্প

0


Published : ০১.০২.২০১৯ ০৮:৫৭ পূর্বাহ্ণ BdST

একটা দেশের উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি হলো দক্ষ মানবসম্পদ। জনসংখ্যাকে মানবসম্পদে পরিণত করতে পারলেই দেশ এগিয়ে যাবে। মানবসম্পদ উন্নয়নের জন্য দরকার দক্ষ উদ্যোক্তার, আর দক্ষ উদ্যোক্তার জন্য যথাযথ প্রশিক্ষণের বিকল্প কিছু নেই। মানবসম্পদ উন্নয়ন ও দক্ষ উদ্যোক্তা তৈরির উপায় নিয়ে কথা হয় বাংলাদেশ স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউটের উপদেষ্টা কে এম হাসান রিপনের সাথে।


কে এম হাসান রিপন ২০০৮ প্রতিষ্ঠিত তরুণ উদ্যোক্তাদের প্লাটফর্ম ‘ন্যাশনাল ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট ফোরাম’ এবং ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ সোসাইটি ফর আইসিটি প্রফেশনাল’-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি ২০১৩ সালে জুনিয়র চেম্বার ইন্টারন্যাশনালের (ঢাকা সেন্ট্রাল) সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি আই.এল.ও’র সহযোগিতায় গঠিত উদ্যোক্তা উন্নয়ন সংগঠন এস.আই.ওয়াই.বি ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের (SIYB Foundation of Bangladesh) প্রতিষ্ঠাতা সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। মেধাবী এই মানুষটি অভিজ্ঞতার এক অফুরন্ত ভান্ডার। তার অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ নিয়ে আজকের সাক্ষাৎকার।


সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলা কাগজ এর আসিস্ট্যান্ট হেদ অফ বিজনেস আরেফীন দিপু ।


প্রশ্ন: শুরুতেই জানতে চাই ছোটবেলা থেকে আপনার স্বপ্ন কি ছিল?

কে এম হাসান রিপন: ছোটবেলা থেকেই আমার স্বপ্ন ছিলো যে, আমি এমন কিছু করব যেন মানুষ আমাকে স্মরণ করে, আদর্শ হিসেবে দেখে। আমি যেন ভালো কিছুর সাথে যুক্ত হয়ে সমাজের মানুষকে এগিয়ে নিতে পারি। আর এই ভালো কিছু করার জন্য যত বাধাই আসুক না কেন সেটা যেন অতিক্রম করে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারি। আর আমার অর্জিত দক্ষতা এবং জ্ঞানকে যেন সমাজের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পারি।

প্রশ্ন : আপনার সাফল্যের পিছনের মূলমন্ত্র কি?

কে এম হাসান রিপন: আমার কাছে সফলতার মূলমন্ত্র হচ্ছে পরিশ্রম, সংগ্রাম, এবং আত্মবিশ্বাস। আমার আজকের অর্জনের জন্য অনেক পথ পারি দিতে হয়েছে। এই পথে ছিলো হাজারও বাঁধা। পরিশ্রম আত্মবিশ্বাসই আমার এই পথের মূল পাথেয় ছিল, থাকবে।

প্রশ্ন : এবার একটু প্রফেশনের দিকে আসতে চাই, জানতে চাই বাংলাদেশের মানবসম্পদ উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান, লক্ষ্য ও করনীয় কী?

কে এম হাসান রিপন: বাংলাদেশের জনসংখ্যার ৪০ শতাংশেরও বেশি মানুষের বয়স ৪০ এর কম। এই জাতির সম্ভাবনা অফুরন্ত। কারণ, এই বয়সের মানুষেরা যা খুশি, যা সম্ভব বা অসম্ভব সব করে দেখাতে পারে। সেই জায়গা থেকে মানবসম্পদ উন্নয়নে যেসব প্রতিষ্ঠান কাজ করছে, তার করণীয় সবচেয়ে বেশি। জনসংখ্যাকে আমরা যদি মানবসম্পদে পরিণত করতে পারি, প্রত্যেককে নিজের কাজের প্রতি উদ্বুদ্ধ করতে পারি, এবং শিক্ষিতের পাশাপাশি দক্ষ মানুষ তৈরি করতে পারি তবেই বাংলাদেশের অবস্থান অন্য এক জায়গায় নিয়ে যেতে পারব। শিক্ষিত মানুষের সাথে জুড়ে দিতে হবে ‘দক্ষতা-উন্নয়ন-প্রশিক্ষণ’।

প্রশ্ন : এ খাতের এ মুহূর্তে বড় চ্যালেঞ্জ কী?

কে এম হাসান রিপন : মানবসম্পদ উন্নয়ন খাতের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো দেশের প্রত্যেক মানুষকে এর অন্তর্ভুক্ত করা। ঢাকা, চট্টগ্রাম বা বিভাগীয় শহরগুলোর বাইরে বৃহৎ জনগোষ্ঠীর বসবাস। তাদের কাছে যথাযথভাবে তথ্য পৌঁছানো এবং কারিগরীভাবে প্রস্তুত করাই বর্তমান সময়ের বড় চ্যালেঞ্জ।

প্রশ্ন : আপনাদের প্রতিষ্ঠান যুব দক্ষতা বিকাশে কী কী উদ্যোগ নিয়েছেন?

কে এম হাসান রিপন : ১৯৯৮ সাল থেকে আমি আমার ক্যারিয়ার শুরু করি। এই ২০ বছর থেকে আমি ইয়ুথ এক্টিভিস্ট হিসেবে কাজ করেছি, লার্লিং ইভেন্ট একটিভিস্ট হিসেবে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছি। আমি এখন বাংলাদেশ স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট পরিচালনা করছি। এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমেও আমরা এই কাজগুলো করছি। যেমন, সোশ্যাল মিডিয়ার আবির্ভাবের পর সারা বিশ্বের পাশাপাশি বাংলাদেশের মানুষের জন্য আমরা অনেক কন্টেন্ট তৈরি করেছি ইউটিউব, ফেইসবুক প্রভৃতিতে। ২০০৯ সাল থেকে শুরু করে এখনও কাজ করে যাচ্ছি। বাংলাদেশের ৬৪ জেলার প্রত্যেকটিতে ঘুরে ঘুরে কাজ করেছি। এর প্রধান কারণ, ঢাকার বাইরের যুবক ও মহিলারা যারা এখনো পিছিয়ে, তাদের দক্ষতা-উন্নয়ন-প্রশিক্ষণের অন্তর্ভুক্ত করা৷ বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আমরা উদ্যোক্তা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ দিয়ে যাচ্ছি। প্রায় ৬৪টা পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা ঘুরেছি ও তাদের প্রশিক্ষণ দিয়েছি। পাশাপাশি আমরা অনেক চাকরিমেলা করেছি। যেমন আমার মনে পড়ে, ২০১৫ সালে ঢাকায় প্রতিবন্ধীদের জন্য একটা চাকরিমেলা করেছিলাম। এটাই ছিল বাংলাদেশে প্রতিবন্ধীদের জন্য প্রথম কোনো চাকরিমেলা।

প্রশ্ন : ভবিষ্যৎ পথচলায় আপনাদের ভাবনা কী?

কে এম হাসান রিপন : ভবিষ্যতের পথচলায় আমাদের ভাবনা হচ্ছে, আমরা মূলত চারটি বিষয়কে প্রতিষ্ঠা করতে চাই।

প্রথমটি হলো, কমপিটেন্সি বেসড এডুকেশন। এর মূল কনসেপ্ট হলো শিক্ষার্থীরা যেটি জানে বা যে জ্ঞান আছে সেটাকে বাস্তব জীবনে প্র‍য়োগ করতে পারবে। যেমন, এই মুহুর্তে আমাদের দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের গ্রাজুয়েটদের যদি প্রশ্ন করা হয়, ‘তুমি কি এটা জানো?’ তারা উত্তর দেবে, হ্যাঁ জানি। কিন্তু তাদের যদি প্রশ্ন করা হয়, ‘তুমি কি এটা পারো?’ তখন কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নেতিবাচক উত্তর আসবে। তাই আমরা জানাটাকে কর্মে পরিণত করতে চাই।

দ্বিতীয়টি হলো, সফট স্কিলস বা কোমল দক্ষতা। এর মূল কথা হলো নিজেকে উপস্থাপন এবং অন্যকে বুঝে ওঠা। আমাদের দেশের এক অন্যতম বড় সমস্যা হলো, আমরা সবকিছু বুঝিয়ে দিতে পারি না, বুঝে নিতে পারি না, বুঝতে পারি না। অর্থাৎ পরিবেশের সাথে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে পারি না। এই জায়গায় দক্ষতা অর্জন করতে পারলে আমরা টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাতে পারব।

তৃতীয়টি হলো, যুবদের মাঝে কারিগরি দক্ষতা নির্ভর মাইন্ডসেট তৈরি করা। এটির মূল কথা হলো, নিজের সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে, নিজের আত্মবিশ্বাসকে ব্যবহার করে আত্মনির্ভরশীল হওয়া। ‘উদ্যোক্তা হও, কিংবা চাকরিজীবী হও’। যে পেশায় যাও না কেন, নিজের সর্বোচ্চ দিয়ে কাজটি করো।

চতুর্থ ও সর্বশেষ হলো, গ্রামীন যুব সম্প্রদায়কে আধুনিক সমাজ ব্যবস্থার সাথে যুক্ত করা। প্রত্যেকেরই যেকোনও বিষয়ে টেকনিক্যাল স্কিল থাকতে হবে।

প্রশ্ন : আপনি তো ব্যক্তিগতভাবে সফট স্কিলস নিয়েও কাজ করেন। এটি সম্পর্কে বলুন।

কে এম হাসান রিপন : ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরাম ১০টি স্কিল কে ব্যাখ্যা করেছে যেগুলোকে ‘একবিংশ শতাব্দি স্কিল’ নামে পরিচিত। এর মধ্যে ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স, কমিউনিকেশন, ক্রিটিক্যাল থিংকিং, লিডারশিপ, নেগোসিয়েশন, কনভেন্সিং অন্যতম। এগুলোকে সফট স্কিলস বলা হয়। যেকোনও সেক্টরেই হোক, এই সফট স্কিলস খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যারা তাদের জীবনে সফল, তাদের সফট স্কিলস এর ব্যবহার বেশি।

প্রশ্ন : আমাদের দেশে প্রায় ১০ লাখ উচ্চশিক্ষিত বেকার। এই শিক্ষিত যুবকরাই দেশের বাইরে গিয়ে অনেক ছোট কাজ করছে। অথচ দেশে শিখতে চায় না, এর মূল কারণ কী?

কে এম হাসান রিপন : এর মূল কারণ হলো, তাদেরকে জানানো হয় নাই। তারা যদি জানত যে, কিভাবে দেশের মধ্যেই বিদেশের চেয়েও ভালো কিছু করা যায়, কিভাবে ভালো উদ্যোক্তা হওয়া যায়। এই বিষয়গুলো যদি তাদের কেউ জ্ঞাত করতো এবং তারা দক্ষতা অর্জন করতো তাহলে দেশের মধ্যেই ভালো কিছু করতো।

প্রশ্ন : নতুনরা কর্মক্ষেত্রে যোগ দেয়ার আগে নিজেদের কিভাবে প্রস্তুত করবে?

কে এম হাসান রিপন : তরুণরা যদি তাদের মনের চিন্তাভাবনাগুলোকে একসূত্রে গাঁথতে পারে তবেই স্বার্থক হবে। চিন্তাভাবনাগুলোকে প্রসারিত করতে হবে। সেক্ষেত্রে কোনো শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পরে যে কাজগুলো অবশ্যই করবে তা হলো, সিজিপিএ ঠিক রাখবে, ভালো যোগাযোগ শিখতে হবে।

যেকোনও কারিগরি দক্ষতা অর্জন করতে হবে, কাউকে মেন্টর হিসেবে বেছে নিতে হবে যার কাছে সে যেকোনও বিষয়ে পরামর্শ নিতে পারবে, বেশি বেশি ওয়ার্কশপ ও সেমিনার করতে হবে, বিভিন্ন ধরণের স্বেচ্ছাসেবী কাজ করতে হবে, একাধিক ভাষায় দক্ষতা অর্জন করতে হবে। এই কাজগুলো সঠিকভাবে করতে পারলে সফলতা বেশি দূরে থাকতে পারে না।

প্রশ্ন : আপনি তো বর্তমানে একজন সফল মানুষ, তা আমরা বলতেই পারি, তবে এই সফলতার পিছনে কোন ব্যর্থতা রয়েছে কি?

কে এম হাসান রিপন : আমার কাছে মনে হয়। ব্যর্থতা বলতে কিছু নেই। প্রত্যেকটা ব্যর্থতাই একেকটা শিক্ষা। আঘাত আসবেই, এতে নিরাশ না হয়ে লেগে থাকতে হবে, বিকল্প মাধ্যমে সফলতা আসবেই।

প্রশ্ন : জীবনের স্মরনীয় কোন ঘটনা রয়েছে কি, যা আজও আপনাকে রোমাঞ্চিত করে?

কে এম হাসান রিপন : সবচেয়ে রোমাঞ্চকর একটি ঘটনা যা আজও আমার মনে পড়ে সেটি হলো আমার ক্যারিয়ারের প্রথম দিকের। সেটি হলো, আমি একটা চাকরির ইন্টারভিউ কার্ড পাই, এবং ইন্টারভিউ দিতে যাই। আমার জীবনের এই প্রথম ইন্টারভিউয়ের এক পর্যায়ে আমার মন হলো যে, যিনি আমার ইন্টারভিউ নিচ্ছেন, তার চেহারা দেখেই মনে হচ্ছিলো তিনি আমাকে সিলেক্ট করবেন না। তো, ইন্টারভিউয়ের শেষ পর্যায়ে আমি তাকে প্রশ্ন করলাম যে, আমি একটা প্রশ্ন করতে পারি? তিনি বললেন, হ্যাঁ, বলেন আমি বললাম, আপনাকে দেখে আমার মনে হচ্ছে যে, এই চাকরিটা আমার হচ্ছে না। তিনি আমার দিকে তাকিয়ে হাসলেন, এবং বললেন, কিভাবে বুঝলেন? আমি বললাম যে, জানি না কিভাবে বুঝলাম। কিন্তু আপনার কথা শুনে তাই মনে হচ্ছে। কিন্তু আমার মনে হয় আমি চাকরির জন্য যোগ্য। তখন আমি তাকে একটা চ্যালেঞ্জ করলাম। বললাম যে, আপনি আমাকে এক মাসের জন্য কাজ করা সুযোগ দেন। আমি বেতন ছাড়াই এই এক মাস কাজ করব। আমি যদি টার্গেট পূরণ করতে পারি তাহলেই আপনি আমার ব্যপারে সিদ্ধান্ত নেবেন। তখন তিনি আমার কনফিডেন্ট দেখে আমাকে এই সুযোগটা দিলেন। এবং পাঁচ বছর পরে ওই প্রতিষ্ঠানের বেস্ট এমপ্লয়ি এওয়ার্ড অর্জন করেছিলাম। এটি আমার জীবনের অন্যতম স্মরণীয় ঘটনা।

প্রশ্ন : উন্নয়নের মহাসড়কে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে আপনাদের প্ল্যান কী?

কে এম হাসান রিপন: আগের যেকোনও সময়ের তুলনায় বাংলাদেশ এখন শক্তিশালী এবং আত্মবিশ্বাসী একটা দেশ। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে, প্রত্যেক মানুষকে আত্মবিশ্বাসী ও দক্ষতাসম্পন্ন করে তোলা। এজন্য গ্রাম্য ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে যারা আছেন , তাদের আগে মানবসম্পদ উন্নয়নের অন্তর্ভুক্ত করতে আমরা কাজ করতে চাই।

প্রশ্ন : উদ্যোমী চেতনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন, সর্বশেষ, তরুণ উদ্যোক্তাদের বা সদ্য স্নাতক পাশ করা যুবকদের সম্পর্কে কিছু বলেন।

কে এম হাসান রিপন : তরুণ উদ্যোক্তাদের উদ্দেশ্যে প্রথম কথা হলো, দক্ষতার উন্নয়ন ঘটাতে হবে। এবং ‘লার্ন এণ্ড শেয়ার’ থিওরিতে কাজ করতে হবে। নিজে যা জানি, সেটা সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে। তাছাড়া উদ্যোক্তা উন্নয়নের জন্য সরকারের সুনজর খুবই জরুরী।

কে এম রিপন হাসান যখন কথা গুলো বলছিলেন তার চোখমুখ জুড়ে ছিলো চিকচিক করা এক দারুণ অভিজ্ঞতার গল্প। অসীম সাহস আর নিষ্ঠাবান কাজ পাগল এ মানুষটি তার একাগ্রচিত্তে কাজ করে যাওয়ার প্রেরণা ছড়িয়ে দিয়েছেন সারাদেশে । তারমতো আর কিছু কে এম রিপন হাসান আমাদের সত্যিই খুব প্রয়োজন। দিন বদলের গল্পটি শুধু গল্প না থেকে বাংলাদেশের লাল সবুজের পতাকাটা তাহলে আরো দ্রুত সবার উপরে তুলে ধরা যেতো।

আপনার মন্তব্য :

Please enter your comment!
Please enter your name here